![]() |
ডাঃ তরিকুল আলম। ছবি: সংগৃহীত |
ফোনে চার্জ দিতে গিয়ে ডাক্তারের শরীর পুড়ে যায়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ তরিকুল আলম ময়মনসিংহে নিজ বাড়িতে মোবাইল ফোন চার্জ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে মারা গেছেন।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানায়, বৃহস্পতিবার কাজ থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও সন্তানদের ঘুমিয়ে দেখতে পেয়ে আলাদা ঘরে বিশ্রাম নিতে যান তিনি। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ডাঃ তরিকুল বিছানার পাশের একটি মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করে ফোন চার্জ করার চেষ্টা করেন। দুর্ভাগ্যবশত, তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিলেন, যার ফলে তার শরীরে গুরুতর পুড়ে যায় এবং বিছানাটি জ্বলে ওঠে। ভোর ৪টার দিকে পোড়ার গন্ধে তার পরিবারের সদস্যরা তার পোড়া লাশ দেখতে পেয়ে সতর্ক করে।
তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডাঃ তরিকুলের আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু তার আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের গভীর শোকের মধ্যে ফেলেছে। তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলে রেখে গেছেন।
ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানায়, বৃহস্পতিবার কাজ থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রী ও সন্তানদের ঘুমিয়ে দেখতে পেয়ে আলাদা ঘরে বিশ্রাম নিতে যান তিনি। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ডাঃ তরিকুল বিছানার পাশের একটি মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করে ফোন চার্জ করার চেষ্টা করেন। দুর্ভাগ্যবশত, তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিলেন, যার ফলে তার শরীরে গুরুতর পুড়ে যায় এবং বিছানাটি জ্বলে ওঠে। ভোর ৪টার দিকে পোড়ার গন্ধে তার পরিবারের সদস্যরা তার পোড়া লাশ দেখতে পেয়ে সতর্ক করে।
তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডাঃ তরিকুলের আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যু তার আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের গভীর শোকের মধ্যে ফেলেছে। তিনি স্ত্রী ও তিন ছেলে রেখে গেছেন।
ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম খান।